Page Nav

HIDE

Breaking News:

latest

হার্টে কীভাবে এত দ্রুত রিং পরানো সম্ভব হলো তামিমের

  তামিম ইকবালের দ্রুত চিকিৎসা সম্ভব হলো কীভাবে? হার্ট অ্যাটাকের পর তামিম ইকবালের চিকিৎসা এত দ্রুত কীভাবে সম্পন্ন হলো এবং স্বল্প সময়ে তাঁর হ...

 

হার্টে কীভাবে এত দ্রুত রিং পরানো সম্ভব হলো তামিমের

তামিম ইকবালের দ্রুত চিকিৎসা সম্ভব হলো কীভাবে?

হার্ট অ্যাটাকের পর তামিম ইকবালের চিকিৎসা এত দ্রুত কীভাবে সম্পন্ন হলো এবং স্বল্প সময়ে তাঁর হৃদযন্ত্রে রিং বসানো গেল—এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই এসেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে আলোচনা।

এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের হৃদ্‌রোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আবরার কায়সার। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, কীভাবে সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

হার্টে রিং পরাতে কতক্ষণ সময় লাগে?

হার্ট অ্যাটাক হলে রোগীর চিকিৎসা যত দ্রুত শুরু করা যায়, ততই ভালো। সাধারণত অ্যানজিওগ্রাম করার পর যদি দেখা যায় যে কোনো রক্তনালি ব্লক হয়ে গেছে, তবে রিং পরানোর (স্টেন্টিং) প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব, বিশেষ করে যদি রোগীর অবস্থা বেশি জটিল না হয়।

আন্তর্জাতিকভাবে, এটি হার্ট অ্যাটাকের সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে আমাদের দেশে সমস্যা হলো, অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে হাসপাতালে আনতে দেরি হয়ে যায়। পাশাপাশি, সব হাসপাতাল বা ক্লিনিকে অ্যানজিওগ্রাম ও স্টেন্টিংয়ের সুবিধা না থাকায় জরুরি চিকিৎসা পেতে দেরি হয়ে যেতে পারে। তাই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ বিশেষায়িত হাসপাতালে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।


ট্রেইনার ইয়াকুব চৌধুরীর দ্রুত পদক্ষেপ

তামিম ইকবালকে যখন অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল, তখন মোহামেডানের ট্রেইনার ইয়াকুব চৌধুরী জরুরি সিপিআর পদ্ধতির অংশ হিসেবে তাঁর বুকে পাঞ্চ করছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়লে কার্ডিও-পালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) দ্রুত শুরু করাই জীবন বাঁচানোর মূল চাবিকাঠি। হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেলে সিপিআর করলে তা পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ইয়াকুব চৌধুরী তাৎক্ষণিকভাবে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার কারণেই তামিম দ্রুত চিকিৎসা পেতে সক্ষম হন।

চিকিৎসকদের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা

তামিমকে দ্রুত সাভারের নবীনগরের কেপিজে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সৌভাগ্যবশত, ওই হাসপাতালে অ্যানজিওগ্রাম ও স্টেন্টিংয়ের সুবিধা থাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মনিরুজ্জামান মারুফের নেতৃত্বে একটি প্রশিক্ষিত চিকিৎসক দল দ্রুত অ্যানজিওগ্রাম, অ্যানজিওপ্লাস্টি এবং স্টেন্টিং সম্পন্ন করেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তামিম ইকবাল করোনারি কেয়ার ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।


সিপিআর শেখা কেন গুরুত্বপূর্ণ

তামিম ইকবালের সাম্প্রতিক ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হলো, সিপিআর জানা থাকলে জীবন বাঁচানো সম্ভব। এটি কেবল চিকিৎসকদের জন্য নয়—সাধারণ মানুষও এই জরুরি চিকিৎসা কৌশল শিখতে পারেন। সঠিক সময়ে সিপিআর দিতে পারলে পরিবারের সদস্যসহ অনেকের জীবন রক্ষা করা সম্ভব।

হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জরুরি। উন্নত চিকিৎসার জন্য দূরে যাওয়ার চেয়ে কাছাকাছি এমন হাসপাতালে নেওয়াই ভালো, যেখানে অ্যানজিওগ্রাম ও স্টেন্টিংয়ের সুবিধা রয়েছে। এতে সময় বাঁচে, যা রোগীর জীবনের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান হতে পারে।






সবার আগে পেতে Follow করুন:

" আঁধার আলো নিউজ গুগল নিউজ"

" আঁধার আলো নিউজ টুইটার "

" আঁধার আলো নিউজ ফেসবুক

"আঁধার আলো নিউজ পিন্টারেস্ট ;

" আঁধার আলো নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে"

" আঁধার আলো নিউজ লিংকডইন "